সম্মানহানি ও আর্থিক ক্ষতি চেয়ে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের বিপক্ষে মামলা করলেন দেশটির সাবেক কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে। জেনেভার আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন তিনি। রোববার শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে এই মামলার কাগজ পৌঁছেছে। তার দাবি ক্ষতিপূরণ হিসেবে লংকান বোর্ডকে ৫০ লাখ ইউএস ডলার দিতে হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরি ছিলো হাথুরুসিংহের। কিন্তু এর আগেই তাকে ছাঁটাই করায় বোর্ডের সাথে তার খারাপ সম্পর্ক তৈরি হয়। গতবছরের আগস্টে হাথুরুসিংহকে ছাঁটাই করার পর তার সঙ্গে একটি সমঝোতার চেষ্টা করেছিলো শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড চেয়েছিলো সমঝোতায় ছয় মাসের বেতন দিয়ে তাকে বিদায় করা। কিন্তু সেটা মানতে রাজি নয় হাথুরুসিংহে। তাই ক্রীড়া আদালতে মামলা ঠুকে দিয়েছেন তিনি। এর আগে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডের বিপক্ষে মামলা দিয়ে মোটা অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন জিওফ মার্শ। সেই আশাতেই মামলা করলেন হাথুরুসিংহে।
২০১৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চাকরি ছেড়ে ৪০ হাজার ইউএস ডলার বেতনে লংকান ক্রিকেট বোর্ডে চাকরি নেন তিনি। কিন্তু ২০১৯ সালে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার ভরাডুবির পর দেশটির ক্রীড়া-মন্ত্রীর পরামর্শে হাথুরুসিংহেকে ছাঁটাই করা হয়। দলের মধ্যে কোন্দল তৈরিসহ বল টেম্পারিংয়ে ক্রিকেটারদের প্রলোভিত করার মতো অভিযোগও ছিলো তার বিরুদ্ধে।
হাথুরুসিংহেকে ছাঁটাই করার পর মিকি অর্থারের নেতৃত্বে পাঁচ বিদেশি কোচিং স্টাফ নিয়োগ দিয়েছে শ্রীলঙ্কান বোর্ড।