সঞ্জয় মাঞ্জরেকার, একসময় ভারতের হয়ে খেলেছেন। এখনও ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত আছেন। নিয়মিত ধারাভাষ্য দিচ্ছেন। খেলাটি নিয়ে তার জ্ঞান-প্রজ্ঞা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। অথচ তিনিই কিনা জাসপ্রিত বুমরাহকে বোলিং টিপস দিয়ে সমর্থকদের রোশানলে পড়লেন?
গেল বুধবার হ্যামিলটনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার ওভারে নাটকীয় জয় তুলে নেয় ভারত। তবে সেটি ততটা সহজ ছিল না। হিটম্যান রোহিত শর্মার টানা দুই ছয়ে ঘাম ঝরা জয় পান তারা।
কারণ শুরুতে অনেক রান দিয়ে ফেলেন বুমরাহ। ভারতের হয়ে সুপার ওভারটি করেন তিনিই। তার ৬ বলে ১৭ রান তোলেন নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও মার্টিন গাপটিল। পরে টিম সাউদির সুপার ওভারের শেষ দুই বলে টানা ছক্কা মেরে ভারতকে অনন্য জয় উপহার দেন রোহিত।
তবে ভারত জিতলেও বুমরাহর বোলিংয়ের নেতিবাচক দিক চোখে পড়েছে মাঞ্জরেকারের। ম্যাচের পর টুইট করে সেটিই জানিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার লেখেন– বুমরাহর সুপার ওভারটা দেখলাম। সে অসাধারণ বোলার। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, ক্রিজটাকে আরও বেশি ব্যবহার করা শিখতে হবে তাকে। আরও ভিন্ন কৌণিক সুবিধা পাওয়ার জন্যই ওকে এটি করতে হবে।
এর পরই ভারতীয় সমর্থকদের ট্রোলের শিকার হলেন মাঞ্জরেকার। কার্তিক নামে একজন লিখেছেন– এসব বন্ধ করুন। আপনি নিজে গড়পড়তা খেলোয়াড় ছিলেন।
শুভময় নামের আরেকজন বলেন, ২০১৯ সালের মাঞ্জরেকার ২০২০ সালে ফিরে এসেছেন। কিন্তু কেন? আমার তো মনে হয়, সাধারণ মানুষের খোঁচা খাওয়াটা আপনার প্যাশন।
চান পাল সিং নামের একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন– অনুগ্রহ করে অন্য দেশের বোলারদেরও পরামর্শ দিন। যেন তারাও একই রকম বিব্রতবোধ করে।
উল্লেখ্য, পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সিরিজের চতুর্থটিতে ওয়েলিংটনে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড-ভারত। আগের তিন ম্যাচের সবকটিতেই জিতে ইতিমধ্যে সিরিজ পকেটে পুরেছে ভারত।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।