ঘরের মাঠে দারুণ ক্রিকেট খেলেও ভারতের বিপক্ষে শেষ সময়ে নিজেদের ভুলে টি-২০ সিরিজে ধবলধোলাই হয় নিউজিল্যান্ড। হারে পাঁচ টি-২০ ম্যাচের সবগুলোই। তবে ওই হারের শোধ ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই নিল ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা কিউইরা। তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অ্যকল্যান্ডে ভারতকে হারিয়েছে ২২ রানে। সিরিজে এগিয়ে গেছে ২-০ ব্যবধানে।
ব্লাক ক্যাপসদের দেওয়া ২৭৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ভারতের টপ এবং মিডল অর্ডার দ্রুত ধসে যায়। দেড়শ’ রান তুলতেই হারায় ৭ উইকেট। কিন্তু লোয়ার অর্ডারে অলরাউন্ডার রবিন্দ্র জাদেজা দারুণ এক ইনিংস খেলেন। তার সঙ্গে জুটি গড়েন নবদীপ সাইনি। টি-২০ সিরিজে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ভারত তিনটি ম্যাচ জিতে নেয়। এই ম্যাচেও সাইনির সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৭৬ রানের জুটি গড়ে তেমন কিছুরই আভাস দিয়েছিলেন জাদেজা। কিন্তু সাইনি জয় হতে ৪৪ রান দুরে থাকতে ফিরে যান। নিজে করেন ৪৫ রান। বাকি পথটা জাদেজা আর পাড়ি দিতে পারেননি।
ভারতের বাঁ-হাতি স্পিন অলরাউন্ডার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমনই জয়ের এক আশা দেখিয়ে আউট হন। এবারও তিনি ব্যর্থ হলেন। জাদেজা আউট হন ৫৫ রান করে। তার আগে ভারতের মিডল অর্ডারে স্থায়ী জায়গা করে নেওয়ার আভাস দেওয়া শ্রেয়াস আয়ার ৫২ রান করে আউট হন। চারে নেমে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ভারতের টপ অর্ডার অবশ্য এ ম্যাচেও ব্যর্থ হয়। টেস্টে দারুণ ফর্মে থাকা মায়াঙ্ক আগারওয়াল দুই ওয়ানডেতেই ব্যর্থ। রান পাননি পৃথ্বীশও।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রান করে নিউজিল্যান্ড। কিউইদের টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যানই রান পান। গাপটিল করেন ৭৯ রান। অন্য ওপেনার হেনরি নিকোলাস ৪১ রান করেন। তিনে নামা টম ব্লান্ডেল ২২ রান করে আউট হন। রস টেইলর ৭৪ বলে খেলেন ৭৩ রানের হার না মানা ইনিংস। অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেসার কেন জেমিসন ২৫ রান করেন শেষ দিকে। বল হাতে আবার দুই উইকেট নেন তিনি। এছাড়া হাশিম ব্যানেট, টিম সাউদি এবং কলিন ডি গ্রান্ডহোম নেন দুটি করে উইকেট। ভারতের লেগ স্পিনার চাহাল তিনটি এবং শার্দুল ঠাকুর নেন দুই উইকেট।