শেষ ম্যাচের আগে অনুশীলন করেনি বাংলাদেশ। প্রথম টি ২০ ম্যাচে বড় ব্যবধানে জেতার পর স্বভাবতই তুমুল আত্মবিশ্বাসী স্বাগতিকরা। তবুও টি ২০ বলেই শেষ ম্যাচেও সতর্ক থাকবেন মাহমুদউল্লাহরা। টপঅর্ডার ভালো করায় পরের ব্যাটসম্যানদের খেলার খুব বেশি সুযোগ থাকছে না। বোলাররা নিজেদের কাজটা ভালোভাবেই সারছেন।
অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মনে করছেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাস পাকিস্তান সফরে কাজে দেবে। মঙ্গলবার টিম হোটেলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত টেস্ট, ওয়ানডে ও প্রথম টি ২০ ক্রিকেটে প্রভাব বিস্তার করে জিতেছি। তাদের পাত্তা দিইনি। শেষ ম্যাচেও একই লক্ষ্য থাকবে।’
মেহেদী হাসান বলেন, ‘অতিবিশ্বাসী ভাবটা কেউ নিজের মধ্যে আনছেন না। যে কোনো কিছু হতে পারে। ইতিবাচক দিক হল, সবাই রানের মধ্যে রয়েছে। অনেকে ব্যাটিংয়েরই সুযোগ পাচ্ছে না। তারাও সুযোগ পেলে রান করতে মরিয়া।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জিম্বাবুয়েকে ছোট করে দেখছি না। টি ২০ ক্রিকেটে যে কেউই যে কোনো সময় ঘুরে দাঁড়াতে পারে। মোমেন্টাম পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। এসব বিবেচনায় শেষ ম্যাচটা আমাদের আরও একটু সতর্ক ও মনোযোগী হয়ে খেলা উচিত।’
সিনিয়র ক্রিকেটাররা জুনিয়রদের উদ্বুদ্ধ করছেন। সামনের সিরিজগুলোতেও যেন প্রভাব বিস্তার করে খেলা যায় সেই মানসিকতা আনার চেষ্টা করছেন টি ২০ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ড্রেসিংরুমে তিনি ইতিবাচক কথা বলছেন।
মেহেদী হাসান বলেন, ‘শেষ ম্যাচেও ভালোভাবে জিততে পারলে আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে। সেটা পাকিস্তান সফরে কাজে লাগবে। সেখানে আমরা একটি টেস্ট ও ওয়ানডে খেলব।’ তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা বড় দলগুলোকেও হোয়াইটওয়াশ করেছি। তাই জেতাটা বড় ব্যাপার। জিতলেই আত্মবিশ্বাস বাড়বে।’
প্রথম টি ২০ ম্যাচে বাংলাদেশ ২০০ রান করার পর জিম্বাবুয়ে অলআউট হয় ১৫২ রানে। স্বাগতিকরা জেতে ৪৮ রানে। মেহেদী হাসান বলেন, ‘শেষ ম্যাচে আমরা ২০০ রান করেছি। এমন উইকেটে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বোলিং করতে হয়। আরও একটু হিসাবি হলে আমাদের জন্য ভালো হবে।’