আইপিএল আয়োজনে ভারত সরকারের অনুমতি মিলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেই হচ্ছে আইপিএলের ১৩তম আসর। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে টুর্ণামেন্টটির ফাইনাল হবে ১০ নভেম্বর।
তবে এসবের চেয়েও বড় খবর হচ্ছে এই মৌসুমের জন্য আইপিএল কর্তৃপক্ষ আগের মতোই তাদের সব স্পনসর রেখে দিয়েছে। অর্থাৎ এ বছরও আইপিএলের টাইটেল স্পনসর থাকছে চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘ভিভো’। যদিও সম্প্রতি চীন-ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আইপিএল থেকে চীনা কোম্পানিকে বাদ দেয়ার জন্য ভারত জু্ড়েই আলোচনা শুরু হয়েছিলো। কিন্তু শেষ পযন্ত বিসিসিআই তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চীনা কোম্পানিকেই আইপিএলের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রেখে দিয়েছে।
যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। টুইটারে টপ ট্রেন্ডিংয়ে #BoycottIPL। এ প্রতিবাদে এবার শামিল রাজনৈতিক মহলও। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করলেন জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ।
ওমরের অভিযোগ সরকারের চীন নীতি ভীষণ বিভ্রান্তিকর। আর এই বিভ্রান্তির জন্যই চীন ভারতের উপর জেঁকে বসার সুযোগ পাচ্ছে। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘চীনা মোবাইল প্রস্তুতকারী কোম্পানি এ বছরও আইপিএলের স্পনসর থাকছে। অথচ আমাদের বলা হচ্ছে চীনা পণ্য বয়কট করতে। চীনারা যে আমাদের উপর জেঁকে বসেছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ, আমরা বুঝতেই পারছি না চীনাদের নিয়ে কী করা উচিত।’
রীতিমতো আক্রমণাত্মক সুরে ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা বলছেন, ‘বিসিসিআই সমস্ত চীনা স্পনসর ধরে রাখল। এরপর চীনারা জেনে যাবে, যে ওদের স্পনসরশিপ ছাড়া আমরা চলতে পারব না। অথচ কিছু নির্বোধ মানুষ নিজেদের চীনা টিভিগুলি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল।’
প্রসঙ্গতঃ ‘ভিভো’, ‘আলিবাবা’, ‘পে-টিএম’সহ সমস্ত চীনা কোম্পানিই ভারতীয় ক্রিকেটে বড় অঙ্কের টাকা ঢালে। ভারতীয় বোর্ডের ‘সোনার হরিণ’ আইপিএলের টাইটেল স্পনসর ‘ভিভো’। যারা কিনা চীনা মোবাইল কোম্পানি। শুধুমাত্র ভিভোই প্রতি বছর আইপিএল আয়োজনের জন্য বিসিসিআইকে দেয় ৪৪০ কোটি রুপি।