প্রায় এগারো মাস পর মাঠে ফিরলেন সাকিব আল হাসান। বিকেএসপিতে রানিং আর ব্যাটিং সেশন দিয়ে শুরু করেছেন একক অনুশীলন পর্ব। করোনা সতর্কতায় মিরপুরে ব্যক্তিগত অনুশীলন বন্ধ থাকায়, নিজ বাসায় রানিং ও ওয়েট লিফটিং করেছেন মুশফিক। আর ব্যস্ত সূচিতে ক্রিকেটারদের ফিটনেস আর রিকোভারির জন্য বিশেষ পরিকল্পনা করছে বিসিবি।
নিষেধাজ্ঞা শেষে এবার সময় মাঠে নামার। বিকেএসপিতে কোচ সালাউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন শুরু করেছেন সাকিব আল হাসান। শুক্রবার করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হন টাইগার অলরাউন্ডার। শনিবার দিনের শুরু করেছেন ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ে।
বিকেএসপিতে প্রথম ১৪ দিন একক অনুশীলন, যাতে গুরুত্ব পাবে জিম আর রানিং সেশন। দুই গুরু সালাউদ্দিন ও নাজমুল আবেদিন ফাহিমের অধীনে প্রাথমিক লক্ষ্য ফিটনেস ফিরে পাওয়া।
সাকিবের মত অবারিত মাঠে অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছেননা মুশফিকুর রহিম। করোনা নিয়ে সতর্কতায় বন্ধ আছে মিরপুরে টাইগারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন। তাতে দমে যাননি মিস্টার ডিপেন্ডেবল। নিজ বাসায় রানিং ও ওয়েট লিফটিং সেশনে ব্যস্ত সময় কেটেছে মুশির।
সবশেষ সাত টেস্টে দুই ডাবল সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৭ সিরিজে গল ও কলম্বো টেস্টের অন্যতম সেরা পারফর্মার মুশফিক, ২০২০ মিশনেও রাখতে চান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। করোনা বিরতির পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে সেরা ফিটনেস ফিরে পাওয়া বলছেন টাইগারদের মিডল অর্ডার স্তম্ভ।
মহামারীর কারণে বারবার ব্যাঘাত ঘটছে অনুশীলনে। সামনে ব্যস্ততা বাড়বে টাইগারদের। সে সূচি মাথায় রেখে সুরক্ষা বলয় নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে বোর্ডকে। পরিকল্পনায় কোচিং স্টাফ-ক্রিকেট প্রশাসনের পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছেন চিকিৎসকেরাও।
করোনার কারণে স্থগিত হয়ে গেছে অনেক সিরিজ। বিরতির পর চেস্টা থাকবে ঘাটতি পুষিয়ে নেয়ার। পূর্ব নির্ধারিত ও নতুন সূচি মিলিয়ে চলতি বছরে অনেক খেলার সম্ভাবনা টাইগারদের।
ব্যস্ত সূচির সাথে তাল মেলাতে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ও রিকোভারি ইস্যুতে গুরুত্ব বিসিবির পাশাপাশি পরিকল্পনা পাইপলাইন সক্রিয় রাখার।