খেলা

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধ্বস, দুর্দান্ত অধিনায়কত্বে জিতল ইংল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধ্বস, দুর্দান্ত অধিনায়কত্বে জিতল ইংল্যান্ড
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধ্বস, দুর্দান্ত অধিনায়কত্বে জিতল ইংল্যান্ড

লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। বর্তমান সময়ের ওয়ানডে ক্রিকেটে ২৩২ রান তাড়া করা অনেকটা ‘ডালভাত’ ব্যাপার যেকোনো দলের জন্য। সে লক্ষ্যে শুরুটাও দুর্দান্ত ছিল অস্ট্রেলিয়ার। একপর্যায়ে ২ উইকেটে করে ফেলে ১৪৪ রান। এরপরই ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানের জাদু। ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি জিতে একপ্রকার নির্ভার অবস্থায়ই ছিল অস্ট্রেলিয়া। রোববারের ম্যাচটি জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যেত সিরিজের শিরোপা। সে অনুযায়ী বোলাররা নিজেদের কাজটা করেন ঠিকঠাক। স্বাগতিকদের আটকে রাখেন মাত্র ২৩১ রানে। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ২৪ রানে হেরে গেছে অসিরা।

উইকেটের ধীরতার কারণে ২৩২ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করাটা ঠিক সহজ হবে না, তা বোঝা গিয়েছিল আগেই। তবু অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও মার্নাস লাবুশেনের ব্যাটে ভালোই এগুচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ৩৭ রানে ডেভিড ওয়ার্নার (১১ বলে ৬) ও মার্কাস স্টয়নিস (১৪ বলে ৯) ফিরে গেলেও, তৃতীয় উইকেটে হাল ধরেন ফিঞ্চ ও লাবুশেন।

তাদের দুজনের ২৩ ওভারের জুটিতে আসে ১০৭ রান। ইনিংসের ৩১তম ওভারের চতুর্থ বল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৪৪ রান। ৮ উইকেট হাতে রেখে শেষের ১১৬ বলে জয়ের জন্য করতে হতো মাত্র ৮৮ রান। কিন্তু এরপরই ভয়াবহ ব্যাটিং ধ্বস।

মাত্র ২১ বলের ব্যবধানে ৩ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান অস্ট্রেলিয়ার চার ব্যাটসম্যান। ফিফটি পেরিয়ে ৭৩ রানে আউট হন অধিনায়ক ফিঞ্চ, লাবুশেন থামেন ৪৮ রান করে। ব্যর্থ হন আগের ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ (১) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১)। ফলে ২ উইকেটে ১৪৪ থেকে ৬ উইকেটে ১৪৭ রানের দলে পরিণত হয় অস্ট্রেলিয়া।

এরপর বাকি কাজ আর সারতে পারেননি নিচের সারির ব্যাটসম্যানরা। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারে চেষ্টা করেছিলেন বটে কিন্তু ৪১ বলে ৩৬ রান করে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার সময়েও ২৪ রান পিছিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া।

ইয়ন মরগ্যানের দুর্দান্ত অধিনায়কত্বকে বল হাতে পূর্ণতা দিয়েছেন জোফরা আর্চার, স্যাম কুরান ও ক্রিস ওকসরা। দশ ওভারে দুই মেইডেনসহ ৩৪ রানে ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন আর্চার। এছাড়া কুরান ও ওকসের শিকারও সমান ৩টি করে উইকেট।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার মতো ব্যাটিং ধ্বসে পড়ে ইংল্যান্ডও। স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ইয়ন মরগ্যান ৪২ ও জো রুটের ৩৯ ব্যতীত আর কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। ফলে মাত্র ১৪৯ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে বলার মতো সংগ্রহ এনে দেন টম কুরান ও আদিল রশিদ।

এ দুই বোলারের নবম উইকেট জুটিতে মাত্র ৫৭ বলে ৭৬ রান পায় ইংল্যান্ড। টম কুরান ৩৭ রান করে আউট হলেও, আদিল রশিদ অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৩৫ রান করে। ম্যাচ শেষে এ দুজনের জুটিটাই হয়ে থাকে ম্যাচের ফল নির্ধারক।

দুর্দান্ত এ জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। যার ফলে আগামী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সিরিজের শেষ ম্যাচটি হতে চলেছে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় হবে ম্যাচটি।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

স্ত্রীর করা মামলায় জামিন পেলেন ক্রিকেটার আল আমিন

সিপিএলে ঝড়ো ফিফটিতে দল জিতিয়ে ম্যাচসেরা সাকিব

বাংলাদেশের তিন ম্যাচ আজ

ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের এক সপ্তাহ

কৃষ্ণাদের চুরি হওয়া অর্থ ফেরত দেবে বাফুফে

শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরলেন সাফ চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা

ছাদখোলা বাসে রাজধানীজুড়ে হবে বিজয় মিছিল

সাফের ফাইনালে প্রথমার্ধে দুই গোল বাংলাদেশের

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ