প্রতিরোধ গড়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকতে পারেনি। চরম নাটকীয়তায় ঠাসা একেবারে শেষধাপে এসে মাউন্ট মুঙ্গানুয়ে সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতল নিউজিল্যান্ড ১০১ রানে।
দারুণ জমেছিল পুরো ম্যাচ। শেষদিনের শেষ আধঘন্টা বাকি থাকতে ম্যাচের ফয়সালা হলো। আর মাত্র ৪.৩ ওভার ব্যাট করতে পারলে পাকিস্তান এই ম্যাচ ড্র করতে পারতো। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ম্যাচ জেতার জিদের কাছেই হারল পাকিস্তান। ২৭১ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের শেষ ইনিংস।
ম্যাচ জিততে শেষ ইনিংসে পাকিস্তানের সামনে ৩৭৩ রানের বিশাল টার্গেট দাড় করায় স্বাগতিকরা। পাকিস্তানের শুরুর চার ব্যাটসম্যান ব্যর্থ হলেও মিডলঅর্ডারে ফাহাদ আলম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ফাহাদ আলম ১০২ রানের সেঞ্চুরি করেন। ২০০৯ সালে টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরির পর এটি ফাহাদ আলমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। রিজওয়ান প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় দফায়ও হাফসেঞ্চুরি পান। পঞ্চম উইকেট জুটিতে এই দুজনে যোগ করেন ১৬৫ রান। যেভাবে দুজনে দিনভর লড়ছিলেন তাতে মনে হচ্ছিল পাকিস্তান এই ম্যাচ রক্ষা করতে পারবে। ম্যাচের শেষদিনের শেষ সেশনের শুরুতে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ২১৫ রান। ম্যাচ জিততে শেষ সেশনে নিউজিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৬ উইকেটের। সেঞ্চুরির পরপরই ফাহাদ আলম আউট হলে পাকিস্তানের প্রতিরোধ ভেঙ্গে পড়ে। দলের স্কোরে আরো ২ রান যোগ করে রিজওয়ানও আউট হন। শেষ চার উইকেটে পাকিস্তান শুধু কিছুটা সময় কাটাতে পারে। কিন্তু ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি।
উইকেটের চারধারে ফিল্ডার দিয়ে ছাতার মতো চারদিক ঘিরে রেখে যুগপৎ স্পিন এবং পেস আক্রমণ চালিয়ে নিউজিল্যান্ড জয় তুলে নেয়।
দুই টেস্ট সিরিজে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে গেল ১-০ তে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড: ৪৩১ ও ১৮০/৫ ডিক্লেয়ার্ড।
পাকিস্তান: ২৩৯ ও ২৭১।
ফল: নিউজিল্যান্ড ১০১ রানে জয়ী।
ম্যাচ সেরা: কেন উইলিয়ামসন।
দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল: