চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর এই জয়ে সিরিজটিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা। বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া ৩৯৫ রান ওয়েস্ট ইন্ডিজ পার করতে পারবে না, এমনটি ধারণা করেছিলেন বেশিরভাগ মানুষ। কিন্তু সেই ধারণাকে মিথ্যে প্রমাণ করে ক্যারিবীয়দের অভিষিক্ত খেলোয়াড় কাইল মায়ার্স একাই বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েেেছন। তিনি ম্যাচটিতে ২১০ রান করেছেন। আর এর মাধ্যমে ২০০৩ সালের পর প্রথম টেস্ট খেলোয়াড় হিসেবে তিনি অভিষেক ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। সর্বশেষ ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার রুডলফ অভিষেক ম্যাচে ২২২ রান করে অপরাজিত ছিলেন। মায়ার্স বিশ্বে ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ও দ্বিতীয় ক্যারিবিয়ান খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন।
এটি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এন্টিগায় ৪১৮ রান তাড়া করে জেতে তারা। টেস্টের ইতিহাসে এখনো এটিই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। ম্যাচটিতে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৪৩০ রান করে। জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ২৫৯ রান করে গুটিয়ে যায়। এরপর টাইগাররা ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে। ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ৩৯৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায়।
ম্যাচটির দ্বিতীয় ইনিংসে টাইগারদের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকান অধিনায়ক মুমিনুল হক। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি। এই শতকটি হাঁকানোর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন। তাছাড়া চট্টগ্রামে এটি ছিল তার সপ্তম সেঞ্চুরি। / ভোকা