হাতের ব্যাট যেন হয়ে উঠল জাদুর কাঠি। আর তামিম ইকবাল নিজ বনে গেলেন ক্রিকেট জাদুকর। তাই তো চোটকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে পাঠিয়ে দিলেন মাঠের বাইরে। দেখালেন ব্যাটিং ঝলক। পেলেন দাপুটে এক সেঞ্চুরির দেখা। শেষ দিকে ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেললেন দীর্ঘ দিন পর জাতীয় রদলে ফেরা নুরুল হাসান সোহান।
সুবাদে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা জিতল ৫ উইকেটে। এবং সেটা বল হাতে রেখে। দুর্বার এ জয় দিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল টাইগাররা। নিজেদের দেশে ওয়ানডে ক্রিকেটে আফ্রিকান দলটি এই প্রথম হোয়াইটওয়াশ হলো।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে জয়ের জন্য টাইগারদের সামনে ২৯৯ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্যটা টপকে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৪৮ ওভারে ৩০২ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম শতক হাঁকিয়ে সাজঘরে ফিরলেন তারকা এ ওপেনার। তার তামিম খেলেন ১১২ চমৎকার এক ক্রিকেটীয় ইনিংস। তামিমের পর ক্রিজ থেকে ফিরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে তারকা এ অলরাউন্ডার আউট হয়েছেন শূন্য রানে। দাপুটে ব্যাটিংয়ের আভাস দিয়ে ছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার ৩০ রান করে ফিরেন ড্রেসিং রুমে।
৩২ রান করে ওয়েসলি মাধেবেরের বলে তাদিওয়ানাশে মারুমানির হাতে ক্যাচ দিয়ে ক্রিজ থেকে বিদায় নেন টাইগার ওপেনার লিটন দাস।
ব্যাট হাতে শুরুতে দ্যুতি ছড়ান ওপেনার রেগিস চাকাভা (৮৪)। পরে দাপট দেখালেন সিকান্দার রাজা (৫৭)। আর রায়ান বার্ল (৫৯)। দুজনেই পেলের দুরন্ত ফিফটির দেখা। ত্রয়ীর ব্যাটিং দৃঢ়তায় সবকটি উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৪৯.৩ ওভার শেষে ২৯৮ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়েছিল জিম্বাবুয়ে।