মিরপুর টেস্টেও পাকিস্তানের কাছে হারল টাইগাররা, ইনিংস ও ৮ রানের ব্যবধানে। এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ।
মিরপুর টেস্টে পরাজয় এড়াতে আজ সারাদিন ক্রিজে টিকে থাকতে হতো বাংলাদেশকে। কিন্তু ২০৫ রানে অলআউট হয়ে টাইগার ভক্তদের আবারও হতাশ করল মুমিনুল বাহিনী।
এর আগে ২০০ রানের মাথায় সাকিব আল হাসানের আউট হয়ে যাওয়ায় সেই সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ে। সাজিদ খানের বলে ৬৩ রানের মাথায় বোল্ড হয়ে এই চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডার সাজঘরে ফিরে গেলে ম্যাচ বাঁচানোর সম্ভাবনা দুর্বল হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য। প্রতিবেদনটি লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে বাংলাদেশের এখনও ১৩ রান করতে হবে।
এর আগে, ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা ইনিংস মেরামত করতে লড়াই চালিয়েছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে লিটন আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই দুই ইনফর্ম ব্যাটারের ৭৩ রানের জুটি। এরপর ব্যাট করতে নামেন সাকিব আল হাসান। পাল্টা আক্রমণে রানের গতি বাড়াতে থাকেন এই চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডার। মুশফিকের সাথে জুটি গড়ে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় এড়ানোর চেষ্টাও করেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় মুশফিককে। এরপর লম্বা সময় সঙ্গ দিয়ে আউট হয়ে গেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তারপর সাকিবও বিদায় নিলে ইনিংস পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় মমিনুল হকের দল।
মিরপুরে শেষ দিনের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৭৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা স্বাগতিকরা অলআউট হয় ৮৭ রানে। যা টেস্টে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন রান। মিরপুরে দ্বিতীয় সেরা ৪২ রানে ৮ উইকেট নেন পাকিস্তানের স্পিনার সাজিদ খান। ফলোঅনে পরেও ছবিটা বদলায়নি মুমিনুলদের। এবার পেসারদের সামনে অসহায় আত্নসমর্পণ করেন মাহমুদুল জয়, সাদমান, শান্তরা। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে দল। এরপর লিটন-মুশফিক ৭৩ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। ৪৫ রান করে লিটন ও ৪৮ রান করে মুশফিক আউট হলে আবারও শঙ্কার মুখে পড়ে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম টেস্ট জিতে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে আছে পাকিস্তান।