বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তি থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করলেও অর্থ ফেরত দিতে হবে না সাকিবকে। এই অলরাউন্ডারের সঙ্গে কোনো ধরনের বিবাদে জড়াবে না বেটউইনার কর্তৃপক্ষ।
বেটউইনার এজেন্সির এক কর্তার বরাত দিয়ে এমন খবর প্রকাশ করেছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদমাধ্যম। মূলত সাকিবকে-বিসিবি আলোচনায়, প্রত্যাশার চাইতেও বেশি প্রসার হয়েছে বেটউইনারের। তাই এমন সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানটির।
দিনভর নানা নাটক আর বিসিবির জিরো টলারেন্স নীতির পর অবশেষে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাতে বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেন বাংলার ক্রিকেটের পোস্টার বয়। কিন্তু চুক্তি হয়ে যাওয়ার পর আইনগতভাবে সাকিবের তা থেকে সরে আসার কতটুকু সুযোগ আছে, প্রশ্ন উঠতেই পারে। আবার চুক্তি বাতিলে আর্থিকভাবে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাকিব কিংবা কত জরিমানা দিতে হবে এ নিয়েও শুরু হয়েছে হিসেব নিকেশ।
জানা গেছে বেটউইনার সঙ্গে ৯ কোটি টাকার বেশি আর্থিক চুক্তি হয়েছিল সাকিবের। তবে সাকিব হয়তো জানতেন শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি থেকে সরে আসতে হতে পারে তাকে। বেটউইনার এজেন্সির এক কর্তার বরাত দিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর, চুক্তির অধিকাংশ টাকা ইতোমধ্যে পেয়ে গেছেন সাকিব। যা ফেরত দেয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সেই সঙ্গে সাকিব চুক্তি থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলেও তাতে নাকি কোনো আপত্তি নেই তাদের।
কোম্পানিটির এমন রক্ষণাত্মক মনোভাবের হয়তো কারণ আছে আরো একটা। গেল কয়েকদিনে যে পরিমাণ প্রচার পেয়েছে বেটউইনার, তাতে টাকার হিসেবে হয়তো তা ছাড়িয়ে যাবে চুক্তি মূল্যকেও। তাইতো বলাই যায়, শেষ পর্যন্ত লাভেরগুড় গেছে বেটউইনারের পেটেই।