রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঈদের ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। রাত থেকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট পেয়ে খুশি অনেকেই। আবার প্রত্যাশার টিকেট কিনতে না পেরে অনেকে হতাশ। কালোবাজারি না থাকলেও ভোগান্তির অভিযোগ যাত্রীদের।
২৩টি কাউন্টারের সামনে সকাল থেকেই দেখা যায় টিকেট প্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভীড়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও দাঁড়ান আলাদা লাইনে।
তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরেও নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় টিকেট বিক্রি শুরু না হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা। সকাল ৮টার কিছুটা পরে শুরু হয় টিকেট বিক্রি।
দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তির পর বহুল কাঙ্খিত টিকেট হাতে পেয়ে অনেকেই উচ্ছসিত। আবার কারো অভিযোগ, বহুক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও প্রত্যাশার টিকেট পাননি।
কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে প্রতিদিন প্রায় ১৮ হাজার টিকেট বিক্রি হচ্ছে। ২২ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত, ১ থেকে ৫ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকেট দেয়া হবে।
আর রেলস্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে মোতায়েন করা হয়েছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যা ব) ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
এদিকে, বাসের অগ্রিম টিকেট বিক্রি চলছে— তবে এরইমধ্যে অধিকাংশ টিকেট বিক্রি হয়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত দিনের টিকিট পাননি অনেকেই। কালো বাজারির অভিযোগও রয়েছে।
আর ২৬ জুন থেকে শুরু হবে লঞ্চের টিকেট বিক্রি। যাত্রীদের সুবিধার্থে সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পাশে এবার লাল কুঠিরঘাট ও ওয়াইজঘাট নামে আরও ২টি ঘাট যুক্ত হচ্ছে আর বাড়ানো হচ্ছে কাউন্টারের সংখ্যাও।