বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ এখনো পুলিশ হেফাজতে শিলং সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর তার ভারতে অনুপ্রবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের জট খুলতে শিলং পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে, সালাহউদ্দিনকে গ্রেপ্তারে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ঢাকা ইউনিটের 'রেড নোটিস' এখন মেঘালয় পুলিশের হাতে। এতে সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলার তথ্য রয়েছে।
মেঘালয় পুলিশ এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিবিআই) এর সঙ্গে কথা বলেছে এবং তাদের পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।
মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ প্রধান রাজিব মেহতার বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শিলংয়ে আটক হওয়া বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আমেদকে গ্রেপ্তার করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার ইন্টারপোল ঢাকা ইউনিটের পক্ষ থেকে রেড এলার্ট নোটিস পান। তাকে গ্রেপ্তার করতে মেঘালয় রাজ্য পুলিশ এরইমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইকে অবহিত করেছে বলে জানান রাজিব মেহতা।
গণমাধ্যমগুলো আরো জানায়, পুলিশ অসুস্থতাজনিত কারণে সালাউদ্দিনকে এখনই জিজ্ঞাসাবাদ করছেনা। এছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তার পরিচয়ের বিষয়েও নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। বর্তমানে শিলং সিভিল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সালাউদ্দিন হাসপাতাল থেকে ছাড়া না পাওয়া পর্যন্ত তার বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে চাচ্ছে না পুলিশ।
তবে সালাউদ্দিনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ সালাহউদ্দিনের শারীরিক অবস্থার বাপারে এখনো পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পুলিশকে দেয়নি।
এদিকে, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) চোখকে ফাঁকি দিয়ে সালাহউদ্দিন কিভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করলেন তার কোনো ব্যাখ্য দিতে পারেনি বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসকে সিং।
মেঘালয় পত্রিকা শিলং টাইমসকে এসকে সিং বলেন, কিভাবে সালাহউদ্দিন ভারতে ঢুকেছেন তা তারা জানেন না।