মুসলমানদের জন্য লাইলাতুল কদরের রাত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—মহিমান্বিত এ রাতে ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মসজিদে মসজিদে কোরান খতম ও নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা।
লাইলাতুল কদরের অর্থ মহিমান্বিত রজনী। এ রাতে মানবজাতির পথনির্দেশিকা ও মুক্তির সনদ পবিত্র আল কোরআন নাজিল হয়। আল্লাহ তায়ালা তার অশেষ রহমত, বরকত ও ক্ষমার ভাণ্ডার সবার জন্য অবারিত করে দেন এ রাতে।
সহস্র মাস ইবাদতের যে সওয়াব এই এক রাতের ইবাদত তার চেয়ে উত্তম। তাই মুসলমানদের কাছে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ এই রাত ।
বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ২৬ রোজার দিবাগত রাতটিকেই লাইলাতুল কদর হিসেবে পালন করেন। এ মহিমান্বিত রাতে আল্লাহর কাছে মাগফিরাত, নাজাত ও ক্ষমা পাওয়ার পরম সুযোগ মেলে। বিশ্বের মুমিন মুসলমানদের ওপর তাঁর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়।
এ রাত মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সুখ, শান্তি, ক্ষমা ও কল্যাণ প্রার্থনার রাত। তাই মুমিন বান্দাদের কাছে রমজানের শিক্ষা কাজে লাগিয়ে এ রাতে ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থেকে নিজেদের গুনাহ মাফ করে নেওয়ার এ এক অপূর্ব সুযোগ।
লাইলাতুল কদরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মসজিদে মসজিদে রাতভর তারাবির নামাজে খতম দেয়া হয় কোরআন। আদায় করা হয় নফল নামাজ। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ সব মসজিদে হয় বিশেষ দোয়া।