লাইফস্টাইল

শারদীয় দূর্গোৎসবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

শারদীয় দূর্গোৎসব
শারদীয় দূর্গোৎসব

আবদুল হামিদ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রেখে জাতীয় উন্নয়নে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বলেছেন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ সম্প্রীতি দেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য।

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সারাদেশে যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় গাম্ভীর্য এবং অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে দুর্গাপূজা উজ্জাপিত হচ্ছে যেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে তিনি দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘এ উৎসব সর্বজনীন। ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি দুর্গাপূজা দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ঐক্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে বলে আমি মনে করি।’

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। হিন্দু ধর্মমতে দুর্গা পৌরাণিক দেবতা। তিনি আদ্যাশক্তি, মহামায়া, দুর্গতিনাশিনী, শিবানী, ভবানী, দশভুজা, সিংহবাহন ইত্যাদি নামে অভিহিত হন। জীবের দুর্গতি নাশ করেন বলে তাঁকে দুর্গা বলা হয়। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুর শক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, আবহমান কাল ধরে এদেশের হিন্দুসম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপাচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে। শুক্লাপক্ষের ষষ্ঠীতিথিতে দেবীর বোধন হয় এবং সপ্তমী, অষ্টমী, মহানবমী-তে পূজা দিয়ে বিজয়া দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হয়। এসময় মন্দিরে মন্দিরে ভক্তিমূলক গান, চণ্ডিপাঠ, অর্চনা, আরতি, ভক্তদের শ্রদ্ধার্ঘ্য এবং সেইসঙ্গে কোলাকুলি, প্রণাম, আশীর্বাদ, মেলা ইত্যাদি দুর্গোৎসবকে ধর্মীয় আবেশে আনন্দঘন করে তোলে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। সকলে মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। এ দেশ আমাদের সকলের।

বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন বলে শেখ হাসিনা বাণীতে আশা ব্যাক্ত করেন। সূত্র: বাসস

দেশটিভি/টিআরটি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়বে যেসব খাবারে

সকালে দেরিতে নাশতা, বাড়তে পারে ডায়াবেটিস

শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ‘গুড প্যারেন্টিং’ জোরদারের তাগিদ

যেসব সবজি রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়

যে সব ভুলে গোসলের সময় হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

যা করবেন শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখলে

রোজ যতটা হাঁটলে ঝুঁকি কমবে হার্ট অ্যাটাকের

কর্মীদের মনোবল কমিয়ে দেয় বসের যে কথাগুলো

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ