নগরীর প্রায় ৫০% নারী পথেঘাটে অথবা ভ্রমণের সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। আর কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হন ১৫% নারী। মঙ্গলবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা বন্ধে আইন সংস্কারের কথা বলার পাশাপাশি বক্তারা সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলেন।
২১ অক্টোবর, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের কুচেমোড়া নামক স্থানে মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় যাওয়ার পথে একদল বখাটে তাদের আটকিয়ে ভাইকে বেঁধে বোনকে গণধর্ষণ করে। ঘটনার সাত দিন পার হলেও এঘটনায় জড়িতদের কেউই গ্রেপ্তার হয়নি।
প্রতিদিনই এধরনের যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন নারীরা। নিরাপত্তাহীনতার কারণে ৬৪ ভাগ নারী রাতে একা ঘরের বাইরে যান না। আর গেলেও যেতে চান কারো সঙ্গে। পথেঘাটে ৮৫% নারী আপত্তিকর উক্তির শিকার হন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের 'এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। 'নারীর জন্য নিরাপদ নগরী' শীর্ষক প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়
নারীর নিরাপত্তহীনতার কারণ হিসেবে যৌন হয়রানির বিষয়ে কোনো আইন না থাকা, জটিলতা ও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতিকেই দায়ী করেন আলোচকরা।
এ বিষয়ে নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে নারীর সবধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে প্রশাসনকে শক্তিশালী করার কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
যৌন সহিংসতা বন্ধে বিদ্যমান আইন সংস্কার এবং দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধানের পরামর্শ দেন বক্তারা।