পহেলা অগ্রহায়ণ ১৪২১ আজ (শনিবার) বাঙালির চিরায়ত উৎসবের দিন, নবান্ন উৎসব। কৃষক ঘরে তোলে নতুন ফসল, অগ্রহায়ণ আর পৌষে বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েসের ধুম পড়ে। উৎসবের আমেজ চারপাশে এক সময় গ্রামেই ধুমধামে এ উৎসব উদযাপন করা হতো, এখন শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে এর আবহ।
প্রতিবারের মতো এবারও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে এ উৎসব উদযাপন করেছে জাতীয় নবান্নোৎসব উদযাপন পরিষদ।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন তাই গ্রামবাংলার এ পার্বনগুলোর মধ্যে নবান্ন উৎসবও একটি। প্রতিবছর অগ্রহায়ণ মাস এলেই নতুন ফসল ঘরে তুলে অভাব অনটন ভুলে গিয়ে কৃষকের মুখে ফোটে তৃপ্তির হাসি। বাংলার এ উৎসবের আবহ গ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে এখন ছড়িয়ে পড়েছে নগর জীবনেও।
চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে ও তরুণ প্রজন্মকে এ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে বরাবরের মতো এবারও চারুকলার বকুলতলায় উৎসবের আয়োজন করে জাতীয় নবান্নোৎসব উদযাপন পর্ষদ।
আবহমান বাঙালির সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসার টানে ছোট-বড় সকলে এ উৎসবে সামিল হন। নাচ-গানের ছন্দ আর পিঠার ঘ্রাণে সবাই যেন মেতে ওঠেন আনন্দ-উৎসবে।
নবান্নের এ উৎসবের মধ্য দিয়ে সবার মাঝে দেশিয় সংস্কৃতির মূল্যবোধ সঞ্চারিত হবে এমন আশা আয়োজকদের।
অঞ্চলভেদে বাঙালির নবান্ন বরণেও রয়েছে নিজস্ব প্রকাশভঙ্গি। ঠিক গ্রামের মতো করে না হলেও ব্যস্ত এ শহরের মানুষও ভুলে যায়নি নবান্নকে। তাইতো অগ্রহায়ণ মাস পড়তেই বাঙালি ফিরে গেছে তার চিরচেনা রূপে।