বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে খুলনার রূপসা নদীতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিমান হামলায় শহীদ হন তিনি। ওই হামলায় সেদিন একই সঙ্গে শহীদ হয়েছিলেন বীর বিক্রম মহিবুল্লাহসহ আরও ৮ মুক্তিযোদ্ধা। নিভৃতেই চলে গেলে এ দিনটি।
২০০৮ সালে রুহুল আমিনের স্মরণে জন্মস্থান নোয়াখালীতে গড়ে তোলা হয় শহীদ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও শহীদ স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্স। তবে, আজও শেষ হয়নি কমপ্লেক্সের পুরো কাজ।
১৯৩৫ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় জন্ম নেন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। ১৯৫৩ সালে নৌবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের মায়া ছেড়ে তিনি ২নং সেক্টরে যোগ দেন। দেশকে হানাদার মুক্ত করতে পদ্মা ও পলাশ নামক যুদ্ধ জাহাজে রূপসা নদীতে পাকিস্তানী বাহিনীর ঘাঁটি তিতুমীরে আক্রমণের জন্য আসেন। কৌশল হিসেবে জাহাজে পাকিস্তানের পতাকা লাগানোর কারণে ভুল বুঝে ওই জাহাজে বোমা হামলা করে মিত্র বাহিনী। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, বীর বীক্রম মহিবুল্লাহ, ফরিদ ও দৌলতসহ ৮ মুক্তিযোদ্ধা।
বাকিরা সাঁতরে নদীর পাড়লেও রাজাকাররা তাদের ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে।
সেদিনের শহীদদের স্মরণে খুলনায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের কথা জানান জেলা প্রশাসক। ২০০৮ সালে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে নির্মাণ করা হয় শহীদ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্স। তবে ৬ বছর পরও পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ হয়নি কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ। মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা পেলে কমপ্লেক্সের বাকি কাজ শেষ করা যাবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।