আজও মেলেনি মৌলভীবাজারে অ্যান্টি ট্যাংক মাইন বিস্ফোরণ রহস্যের কোনো কূলকিনারা। ১৯৭১ সালের এ দিনে সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণের কারণ জানতে আজ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগও নেয়া হয়নি। বিজয়ের চারদিন পর হঠাৎ ওই বিস্ফোরণে সেদিন শহীদ হয়েছিলেন অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধা।
শহীদদের স্মৃতিরক্ষায় পরবর্তীতে সেখানে স্মৃতিফলক নির্মিত হয়েছে। বিস্ফোরণ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পাশাপাশি শহীদদের নামে সড়কের নামকরণের দাবি তাদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের।
বিজয়ের ৪ দিন পর ১৯৭১ এর ২০ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার সরকারি ঊচ্চ বিদ্যালয়ের ক্যাম্পে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। দুপুরের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে মাইন বিস্ফোরিত হয়ে কেঁপে ওঠে গোটা শহর। মূহূর্তেই প্রাণ হারান অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধা। তাদের কারও মরদেহ পূর্ণাঙ্গভাবে পাওয়া যায়নি। ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়ায় আশেপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের মরদেহের অংশগুলো কুড়িয়ে এনে বিদ্যালয়ের পাশে সমাহিত করা হয়।
ঘটনার ৪৩ বছর পরও সেই বিস্ফোরণের কোনো কারণ আজও জানা যায়নি। বিভিন্ন সংগঠন ও শহীদদের পরিবারের সদস্যরা তদন্ত কমিটি করে বিস্ফোরণের রহস্য উন্মোচনের দাবি জানালেও আজও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। সেদিনের শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে একটি স্মৃতিফলক।
শহীদদের নামে বিভিন্ন সড়কের নামকরণ করার দাবি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের।