স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহীদ সেলিম-দেলোয়ার নামে দিনটি পালন করা হলেও মেলেনি তাদের পরিবার পরিজনের কপালে কিছুই।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের মিছিলে ট্রাক উঠিয়ে দেয়ার ঘটনায় শহীদ হন ও্ই সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইব্রাহিম সেলিম ও কাজী দেলোয়ার।
সেলিমের এ অকাল মৃত্যুর পর তার ৬ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে কষ্টের জীবন কাটাচ্ছেন স্ত্রী নাসিমা জাহান জেসমিন। তার এখন একটাই চাওয়া দুঃখ ও বেদনা জর্জরিত জীবনের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে খুলে বলা।
১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসক এরাশাদ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিল ওই সময়ের ছাত্র সমাজ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল থেকে মিছিল বের করেন ছাত্ররা। মিছিলটি ফুলবাড়িয়া যাওয়ার পথে ছাত্রনেতা সেলিমসহ দেলোয়ারকে ট্রাকে পিষে হত্যা করা হয় আহত হন অনেকে।
বিয়ের মাত্র ২ বছরের মধ্যে স্বামীকে হারানোর শোকে পাথর হয়ে যান স্ত্রী নাসিমা জাহান জেসমিন। ৬ মাস বয়সী একমাত্র কন্যা সন্তান ডেরোথীকে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি। নাসিমা জাহান জেসমিন বর্তমানে অসুস্থ।
ডেরোথি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিস সহকারীর চাকুরি পেলেও তা দিয়ে কষ্টকর জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের।
দীর্ঘ তিন যুগ ধরে সেলিমের স্মৃতি আঁকড়ে থাকা জেসমিন ও ডেরোথি চান তাদের মনের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে খুলে বলতে।