এক মুঠো বাদামে দুইশ ক্যালোরি পাওয়া যায়। বাদামে যে ধরনের চর্বি পাওয়া পাওয়া যায়,তা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল । দৈনিক এক মুঠো বাদাম শরীরে HDL কোলেস্টেরল বাড়ায় যা স্বাস্থ্যকর।
বাদাম এত স্বাস্থ্যকর হওয়ার কারন এতে রয়েছে ভিটামিন,খনিজ,আঁশ ,মনস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড চর্বি আর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রভৃতি।
খাদ্য নিয়ন্ত্রণ যারা করেন, তারা ক্যালরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বাদামের চর্বি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। বাদামে শর্করা আছে সামান্যই। তাই এটি গ্রহণে ওজন বাড়ার সুযোগ নেই।
কানাডায় সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাদাম শরীরে পুষ্টি জোগাতে দারুণ কাজে আসে। এটি গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এমনকি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিও অর্ধেক কমে যায়। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে বাদাম খাওয়া যেতে পারে।
কাঠ বাদামের উপকারিতা
| ১। | হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে ভেজানো আমন্ড। প্রয়োজনীয় এনজ়াইম নিঃসরণে সাহায্য করে। |
| ২। | ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আমন্ডে উপস্থিত মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট খিদে কমায় ও পেট ভরিয়ে রাখে। |
| ৩। | হৃদয় ভালো রাখে আমন্ড। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল (লো ডেন্সিটি লিপোপ্রোটিন) নিয়ন্ত্রণ করে। |
| ৪। | ভেজানো আমন্ডে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস্ শরীরের ফোলাভাব কমায় ও অকালপক্কতা নিয়ন্ত্রণ করে। |
| ৫। | ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে ভোজানো আমন্ডে উপস্থিত ভিটামিন B17। |
| ৬। | এই বাদামে উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েড শরীরে টিউমার হতে দেয় না। |
| ৭। | রোজ সকালে খালি পেটে ভেজানো আমন্ড খেলে শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। |
| ৮। | সন্তানসম্ভবাদের নিয়ম করে ভেজানো আমন্ড খেতে পরামর্শ দেন স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞরা। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড জন্মের সময় শিশুর খুঁত দূর করে। |
সাবধানতা
তেলে ভাজা বাদাম, মধু বা চিনি মেশানো বাদাম খেলে উপকারের পরিবর্তে অপকারই বেশি হবে। এতে ওজন বাড়বে। রক্তচাপ বাড়বে । বাদাম দৈনিক এক মুঠোর বেশি খাওয়া উচিত নয়।