লাইফস্টাইল

না ফেরার দেশে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ

মাহফুজ উল্লাহ
মাহফুজ উল্লাহ

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটের দিকে তিনি নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার স্ত্রী দিনারজাদী বেগম, ছোট মেয়ে ডা. নুসরাত হুমায়রা, ছোট মেয়ের জামাতা মিনহাজুল হক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন।

মাহফুজ উল্লাহ বড় মেয়ে মুসাররাত হুমায়রা অঙ্গনা জানান, আগামীকাল বা সোমবার বাবার-মাহফুজ উল্লাহর মরদেহ দেশে আনা হবে্

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

১৯৫০ সালের ১০ মার্চ নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া মাহফুজ উল্লাহ বাংলাদেশের প্রতিটি অধিকার আদায়ের আন্দোলনের একজন নেতৃস্থানীয় কর্মী। ছাত্রাবস্থায়ই সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন তিনি।

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ দেশের বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকে কাজ করেছেন। মাঝে চীন গণপ্রজাতন্ত্রে বিশেষজ্ঞ, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগেও খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন জ্যেষ্ঠ এ সাংবাদিক।

সেন্টার ফর সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি জেনারেল মাহফুজ উল্লাহ বাংলাদেশে পরিবেশ সাংবাদিকতার সূচনা করেন। রাজনীতি উন্নয়ন ও পরিবেশ বিষয়ে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখা তার বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর করজারভেশন অব নেচারের একজন নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন।

মাহফুজ উল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা ও সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর করেন। তার বাবা শিক্ষাবিদ মরহুম হাবিবুল্লাহ ও মাতা মরহুমা ফয়জুননিসা বেগম। তৎকালীন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কমরেড মোজাফফর আহমদের নাতি সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ।

গত বছরের নভেম্বরে মাহফুজ উল্লাহ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনীগ্রন্থ লেখেন যার নাম ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ হার স্টোরি’। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৫০টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী, যাদুর লাউ, যে কথা বলতে চাই, অভ্যুত্থানের ঊনসত্তর, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন: গৌরবের দিনলিপি (১৯৫২-৭১), উলফা অ্যান্ড দ্য ইনসারজেন্সি ইন আসাম।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়বে যেসব খাবারে

সকালে দেরিতে নাশতা, বাড়তে পারে ডায়াবেটিস

শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ‘গুড প্যারেন্টিং’ জোরদারের তাগিদ

যেসব সবজি রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়

যে সব ভুলে গোসলের সময় হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

যা করবেন শিশুর ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখলে

রোজ যতটা হাঁটলে ঝুঁকি কমবে হার্ট অ্যাটাকের

কর্মীদের মনোবল কমিয়ে দেয় বসের যে কথাগুলো

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ