সাগরে ভেসে যাওয়া তিন জনকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চার ছাত্র এখনো নিখোঁজ বলে পুলিশ ও কোস্ট গার্ড জানিয়েছে। নিহতরা হলেন- মনতিজুল ইসলাম ইভান ও সাদ্দাম হোসেন। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ফয়সাল, ফারহান ও আসিফকে। সেন্টমার্টিনে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে সোমবার ঢাকার আহছানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ ছাত্র নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ ছাত্ররা হলেন: সাব্বির হাসান, শাহারিয়ার রহমান, উদয় মাহমুদ ও গোলাম রহিম বাপ্পী। আর উদ্ধার হওয়া ৫ ছাত্র হলেন: অরণ্য, ইভান, ফয়সাল, আশিক ও ফারহান। এইপাঁচজনকে স্পিডবোটে করে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে আনা হলে ইভান ও সাদ্দামকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে ওসি জানান।
নিখোঁজ ও উদ্ধার হওয়া এই শিক্ষার্থীরাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শেষবর্ষের ৩৪ জন শিক্ষার্থী সেন্টমার্টিন বেড়াতে যান।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ বলেন, ওই ৩৪ জন শিক্ষার্থী টেকনাফ থেকে কুতুবদিয়া জাহাজে করে দুপুর ১২টায় সেন্টমার্টিনে পৌঁছান। তারা সেখানে সেন্ট সৌর রিসোর্টে ওঠেন। বেলা ২টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী দ্বীপের জেটি ঘাটের উত্তর-পূর্ব পাশে প্রিন্স হ্যাভেন পয়েন্ট দিয়ে গোসলে নামে। কিছুক্ষণ পরে ছাত্রদের মধ্যে হইচই শুরু হয়। স্থানীয় লোকজন গিয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় ওই ৫ ছাত্রকে উদ্ধার করে। তাদের কোস্টগার্ডের একটি স্পিডবোটে করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয় লোকজন জানায়, যে পয়েন্টে ওই ছাত্ররা নেমেছিলেন সেখানে পানির স্রোত বেশি ছিল। আর তখন ভাটা থাকায় স্রোতের টানে হয়তো ভেসে গিয়েছেন তারা।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রঞ্জিত বড়ুয়া জানান, নিখোঁজদের বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। স্রোতের টানে ভেসে যেতে দেখে স্থানীয় লোকজন, কোস্টগার্ড সদস্যরা ৫ জনকে উদ্ধার করেছে বলে জানন কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শহীদ আল আহসান।