উদ্বোধনের আট মাস পর কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে—দেশের ১৮তম এ বন্দরটি চালু হওয়ায় দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত সোমবার বন্দর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমদানি রপ্তানি শুরুর প্রথম দিনে দিয়ে ভারত থেকে ২৮ মেট্রিক টন কয়লা আমদানি করা হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের ৬ষ্ঠতম এ স্থলবন্দর চালু হওয়ায় ভারতের সেভেন সিস্টারের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য পথ উন্মোচিত হলো।
কুড়িগ্রাম ইউএনও এরশাদ আহসান হাবীব দেশ টিভিকে বলেন, ‘এ দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাসহ আর্থসামাজিক যে অবস্থাটি আছে তার ব্যাপক উন্নতি হবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরালো হবে।’
এ বন্দরের মাধ্যমে কুড়িগ্রামের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর যেমন উন্নয়ন হবে তেমনি ভারতীয় অংশে ৩০০ কিলোমিটার পথ কমে যাওয়ায় লাভবান হবেন ব্যবসায়ীরা।
রংপুর কমিশনার মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এখানে যে সমস্ত স্থানীয় জনগণ রয়েছেন তারা ব্যবসা বাণিজ্যে অংশগ্রণন করতে পারবেন এবং একইসঙ্গে দুই দেশ অনেক লাভবান হবে।’
প্রথমিকভাবে এ বন্দর দিয়ে পাথর, কয়লা, তাজা ফল, ভূট্টা, গম, চাল, ডাল, রসুন, আদা, ও পিঁয়াজ এ দশটি পণ্য আমদানি এবং বিধি অনুযায়ী সব ধরনের পণ্য রপ্তানি করা যাবে।
সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার রকীব আহমেদ জুয়েল বলেন, ‘এখানে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আমরা বর্ষাকালে নদীপথে পাথর, কয়লা পাঠাতে পারবো সেরকম ব্যবস্থাও রয়েছে।’
এদিকে, বন্দরকে কেন্দ্র করে সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় জনগণ। দীর্ঘ ৬৭ বছর আগে ভারত পাকিস্তান বিভক্তির পর বন্ধ হয়ে যায় কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর। ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বন্দরটি আবারো উদ্বোধন করা হয়।