নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম ও তার বন্ধু তাজুল ইসলামের জানাজা সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জানাজা হয়। এতে শরিক হতে মহাসড়কে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।
সকাল ১০টার দিকে নজরুল ও তাজুলের মরদেহ ট্রাকে করে সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেয়া হয়। তাদের জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার মানুষ মহাসড়কে অবস্থান নেন। মানুষের ঢল মহাসড়কে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এসময় মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
মহাসড়ক ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জানাজার আগে নজরুলের বন্ধু ও স্বজনেরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তারা এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার দাবি করেন। জানাজা শেষে নজরুলের মরদেহ সিদ্ধিরগঞ্জে তার পারিবারিক কবরস্থনে দাফন করা হবে।
এর আগে সকালে নজরুল ও তাজুলের লাশ হাসপাতালের হিমঘর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ ঈদগাহ ময়দানে নেয়া হয়। তবে স্থান সংকুলান না হওয়ায় তাদের মরদেহ সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কে আনা হয়।
নারায়ণগঞ্জ থেকে গত রোববার একসঙ্গে সাত ব্যক্তি অপহূত হন। তারা হলেন: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ইব্রাহিম।
গতকাল বুধবার দুপুরে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজনের লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন নজরুল, চন্দন কুমার, মনিরুজ্জামান, তাজুল ও ইব্রাহিম।