বাজারে আদা এখন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। ছয় মাস আগের ৬০ টাকা কেজির আদার দাম কয়েকগুণ বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা দরে। চলতি সপ্তাহে পেঁয়াজের দামও কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। কমেনি চালের বাজারের অস্থিরতাও।
তবে নতুন চাল আসতে শুরু করায় আগামী সপ্তাহ থেকে চালের দাম কমতে পারে বলে আশা করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। আর সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের অনুরোধ বাজার নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী হওয়ার।
রাতের বৃষ্টিতে আবহাওয়া ঠাণ্ডা হওয়ায় শুক্রবার সকালেই জমে উঠে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার। তবে ঠাণ্ডা আবহাওয়া যেনো একটিও ঠাণ্ডা করতে পারেনি পণ্যের বাজার।
আদার দাম যখন বাধাহীন, ক্রেতারা তখন উপায়হীন। বিক্রেতারা বলেন, গত এক মাসের ব্যবধানেই দাম বেঁড়েছে কয়েক গুণ।
এদিকে, পেয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও চলতি সপ্তাহে কেন দাম বাড়লো তার সঠিক উত্তর দিতে পারেনি বিক্রেতারা।
এছাড়া, চালের দাম বাড়তে বাড়তে যেন চুড়ান্ত সীমায়। তবে এরইমধ্য নতুন চাল বাজারে আসায়, আগামী সপ্তাহ থেকেই দাম কমা শুরু হতে পারে বলে জানালেন বিক্রেতারা।
দামের ঊর্ধগতিতে যেন নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন মানে চলে আসছে নিম্নগতি। সীমিত আয়ের মানুষকে মিলাতে হচ্ছে ব্যয়ের হিসেব। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ তাদের।
নিয়মিত বাজার তদারকি ও টিসিবিকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রয়োজনে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে ভর্তুকি দেওয়ার পরামর্শও দেন অনেক ক্রেতা।