জেলার খবর

না’গঞ্জ হত্যাকাণ্ড: আদালতের নির্দেশ পালন করা হবে

না’গঞ্জ পুলিশ সুপার
না’গঞ্জ পুলিশ সুপার

নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলার তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার খন্দকার মুহিদ উদ্দিন। রোববার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মুহিদ উদ্দিন বলেন, ‘দৃশ্যমান একটি অগ্রগতি আমাদের আছে সেটি হলো শনিবার এ মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। যেভাবে তদন্ত করছি, আসলে আমরা চাচ্ছি যারা কোনো না কোনোভাবে সহায়ক বা তথ্য দিয়ে সহায়তা করা, পালিয়ে যেতে সহায়তা করা এ ধরনের কোনো না কোনো সহায়তায় যারা আছে। তাদের সবাইকে চেষ্টা করছি একে একে গ্রেপ্তার করতে। সেইসঙ্গে আরো বেশি সতর্ক থাকছি যেন কোনো নিরীহ মানুষ আমাদের মাধ্যমে হয়রানির স্বীকার না হয়।’

তিনি বলেন, এ ঘটনায় নোয়াখালী থেকেও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১২ দিন হলো বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করা হচ্ছে। এত বড় ঘটনার তদন্ত এতোঅল্প সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। তবে পুলিশ সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে গণমাধ্যমকে এখনই সেসম্পর্কে বলা সম্ভব নয়।

গতকাল মামলার উল্লেখযোগ্য একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে তার কাছ থেকে তদন্তে সহায়ক তথ্য পাওয়ার বিষয়ে আশাদাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ সুপার।

ঊচ্চ আদালতের নির্দেশের বিষয়ে একপ্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, আদালতের যে কোনো আদেশ মানতে বাধ্য তারা।

তিনি আরো বলেন, ‘মহামান্য আদালত আমাদের দেশের সর্বোচ্চ আস্থার জায়গা ও সম্মানের জায়গা। আদালত যেটা করতে বলবে সেটা নিশ্চই গ্রহণযোগ্য বা যে নির্দেশ থাকবে সেটা আমরা পালন করবো।’

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ অবসরে পাঠানো র‌্যাবের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশ দিয়েছে। দণ্ডবিধি বা বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া না গেলে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছে।

ওই তিন কর্মকর্তা হলো: ১১-এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের সাবেক প্রধান লে. কমান্ডার এম এম রানা। তিন কর্মকর্তার মধ্যে সেনাবাহিনীর দুজনকে অকালীন এবং নৌবাহিনীর একজনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়।

সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার রক্ষায় ব্যর্থতা চ্যালেঞ্জ করে নিহত বা খুনের শিকার আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের পক্ষে নির্বাহী সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রিট আবেদন করেন।

মামলায় এ পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আর বাকি সবাই ৫৪ ধারায় আটক রয়েছেন বলেও জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল (রোববার) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, প্যানেল মেয়র-২ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নজরুল ইসলাম ওরফে গোঁয়ার নজরুল ও তার চার সহযোগীকে তাদের বহনকারী প্রাইভেটকারসহ র‌্যাব পরিচয়ে অপহরণ করা হয়। একই সময়ে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিমও নিখোঁজ হন।

পরে বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী থেকে নজরুল ইসলামসহ ৬ জনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে একই স্থান থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আরো একটি মরদেহ পাওয়া যায়।

দেশটিভি/এমএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ