নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে উচ্চ আদালতের নিদের্শনা অনুযায়ী (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) র্যাব-১১ সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন। সেইসঙ্গে তদন্তেও বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার দুপুর র্যাব-১১ এর সাবেক তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারে হাইকোর্টের আদেশের কপি নারায়ণগঞ্জ পুলিশের কাছে পৌঁছায়। তারপরও কেনো অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এমন প্রশ্নের জবাবে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বলেন, নিদের্শনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন তারা।
তিনি আরো বলেন, ‘মহামান্য হাইকোর্ট আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছে, সেই নির্দেশনা অনুয়ায়ী আমরা কাজ করছি। আশা করি যে এটার একটি প্রতিফল আপনারা দেখতে পাবেন।’
এদিকে, র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের মন্তব্যের জের ধরে তার বিরুদ্ধেও এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তুললেন নিহত প্যানেল মেয়রের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘কর্নেল জিয়া সাহেব বলেছেন, ইন্ডিয়া চলে গেছে। আর আমার ব্যাপারটা বলেছে যে, আমাকে খতিয়ে দেখবে। তাহলে তো আমাকে মেরে ফেলবে। এ জন্য আমি দেশবাসী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চাই, যাতে আমাকে না মারে।’
সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে আছেন বলে র্যা বের অতিরিক্ত মহাপরিচালক যে মন্তব্য করেছেন এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেন নিহত প্যানেল মেয়রের শ্বশুর।
এ ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে মঙ্গলবারও শহরে সভা-সমাবেশ হয়েছে। ‘আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী’র উদ্যোগে সকালে স্থানীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় বক্তারা- জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী নিজেদের সকল কর্মসূচি বন্ধ রেখেছেন আইনজীবীরা।