মুন্সীগঞ্জের সাতনলে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে মেঘনা নদীতে এমভি মিরাজ-৪ নামে লঞ্চটি দুইশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে। এ পর্যন্ত ১১ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ডুবে যাওয়া এমভি মিরাজ-৪ লঞ্চের ৩০ থেকে ৪০ জনের মতো যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন।
তবে বেশিরভাগ যাত্রীই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় এর মধ্যেই ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছে।
আমাদের সংবাদদাতা জায়িছেন, রাজধানীর সদরঘাট থেকে দুপুর ১টার দিকে দুইশতাধিক যাত্রী নিয়ে শরীয়তপুরের সুরেশ্বরের উদ্দেশ্যে এমভি মিরাজ-৪ রওনা দেয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার দৌলতপুর ও চাঁদপুরের ষাটনলের মাঝামাঝি মেঘনা নদীর মোহনায় কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে লঞ্চটি। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই লঞ্চটি ডুবে যায়।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসীর সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কাজ শুরু করে। এ সময় বেশকয়েকটি মৃতদেহ উদ্ধার করে তারা। ৩০ থেকে ৪০ জনের মতো যাত্রী সাঁতরে তীরে ওঠেন। আর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আরো কয়েকজনকে। অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ রওনা দেয়। সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর শোনার পরপরই শরীয়তপুরের বিভিন্ন লঞ্চঘাটে ভীড় করেন যাত্রীদের স্বজনরা।