র্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ফেনীর ফুলগাজী চেয়ারম্যান একরাম হত্যায় ব্যবহৃত ২টি বিদেশি পিস্তল, নয় রাউন্ড গুলি ও ২টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী জাহিদের সহযোগী সজীবকেও গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭ এর সদস্যরা। এছাড়া, হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে ফেনীর কাজীরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফকে আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে, একরাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী বিএনপি নেতা মাহাতাব উদ্দিন মিনারকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রিমান্ডে থাকা আসামি জাহিদ চৌধুরীর দেয়া তথ্যানুযায়ী তার কার্যালয়ে অনুসন্ধান চালায় পুলিশ। মিজান রোডের সালাম কমিউনিটি সেন্টারের পেছনে অবস্থিত কাযর্লয়ে টেলিভিশন বাক্সের ভেতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৪টি গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। পিস্তলটি একরাম হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
এদিকে, একরাম হত্যা মামলার আসামি জাহিদ হোসেনের দেয়া তথ্যানুযায়ী ভোরে ফেনী শহরের বিরিনচি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার সহযোগী সজিবকে আটক করে র্যাব-৭ এর সদস্যরা। এ সময়, তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও কয়েক রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করে তারা।
এর আগে এ হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার রাতে আটক ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী ও আনন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার ফেনী শহরের একাডেমি এলাকার বিলাসী সিনেমা হলের সামনে ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হককে তার গাড়িতে প্রথমে গুলি করে এবং পরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।