পারিবারিক কলহের জেরে ধরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিলের মুক্তিনগর এলাকায় শনিবার ভোরে সুমন মিয়া নামে এক ব্যক্তি স্ত্রী ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। পরে সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
নিহতরা হলেন : ময়না বেগম ও তার মেয়ে নূরজাহান আক্তার স্বপ্না।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের হীরাঝিলের মুক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা সুমন। সেখানে স্ত্রী ও ২ সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন। প্রায় প্রতিদিনই তাদের মাঝে নানা কারণে ঝগড়া লেগে থাকতো।
শনিবার ভোর ৩টার দিকে সুমন মিয়ার ঘর থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা জেগে ওঠেন। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তার ঘরের জানালা দিয়ে দেখেন, সুমন বঁটি দিয়ে তার স্ত্রী ময়নাকে এলোপাতাড়ি কোপাচ্ছেন। এ সময় স্বপ্না তার মাকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় এবং চিৎকার করতে থাকে। এসময় সুমন তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন।
প্রতিবেশীরা ভয় পেয়ে ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগিয়ে দিয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় সুমন আরেক সন্তান ইমনকে কোলে নিয়ে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার হুমকি দেন। সুমনকে পুলিশ কৌশলে জানালার কাছে ডেকে নিয়ে গ্রিলের সঙ্গে হাতকড়া দিয়ে আটকে ফেলেন।
পরে পাশের আরেকটি জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে মা ও মেয়ের মৃতদেহ ২টি উদ্ধার করে তারা। মৃতদেহ দুটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।