নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিহত নজরুলসহ ৫ পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্য নিচ্ছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) তদন্ত কমিটি। সোমবার সিদ্ধিরগঞ্জের পাওয়ার হাউসে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
এতে সাক্ষ্য দিতে উপস্থিত হন নিহত নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। নিহতদের ৫ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও সাক্ষ্য দিতে যান। মামলার ঘটনা অনুসন্ধানে র্যাবের একটি তদন্ত কমিটির সদস্যরা তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ নিচ্ছেন।
এদিকে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টার থেকে এক ঘণ্টার জন্য আদালত বর্জন কর্মবিরতি পালন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি।
এসময় তারা নিহত চন্দন সরকারসহ ৭ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। দুপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন আইনজীবীরা।
উল্লেখ, গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে লিংক রোড ধরে ঢাকায় যাওয়ার পথে অপহরণ হন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং তার চার সহযোগী। প্রায় একই সময়ে একই সড়ক থেকে গাড়িচালকসহ অপহূত হন আইনজীবী চন্দন সরকার। তিন দিন পর গত ৩০ এপ্রিল একে একে ছয় জন এবং পরদিন আরেকজনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে পাওয়া যায়।
তারপর নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ৪ মে র্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, নজরুলকে র্যাব তুলে নিয়ে হত্যা করেছে। এজন্য আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ কয়েকজনের কাছ থেকে ছয় কোটি টাকা নিয়েছে র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা।