পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদী শাসন কাজে তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে চূড়ান্ত দরপত্র জমা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো কোরিয়ার হুন্দাই কনস্ট্রাকশন কোম্পানি, চীনের সিনো হাইড্রো করপোরেশন ও বেলজিয়ামের দাজানদিনাল।
এরমধ্য থেকে একটি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হবে বলে জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে দরপত্র জমা দেয়া শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে। মূল সেতুর জন্য ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে। মূল সেতু ও নদী শাসন দুটি কাজই একসঙ্গে শুরু করা যাবে।
নির্মাণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে গত মঙ্গলবার পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতু নির্মাণে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। চায়না মেজর ব্রিজের সঙ্গে ১২ হাজার ১৩৩ কোটি টাকার চুক্তি হয়। চার বছরের মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করবে। এরপর এক বছর রক্ষণাবেক্ষণ সময়। ওয়ারেন্টি এর পরের এক বছর। এ এক বছরে সেতুর কোনো সমস্যা হলে তা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঠিক করে দেবে।
মূল সেতুর চূড়ান্ত দরপত্রে তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিলেও একমাত্র চায়না মেজর ব্রিজ আর্থিক প্রস্তাব জমা দেয়। ফলে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে তাদের দেয়া প্রস্তাবই গ্রহণ করে সরকার।
সেতু বিভাগ জানিয়েছে, সর্বশেষ সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুসারে পদ্মা সেতুর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে সব কাজের ঠিকাদার নিয়োগ সম্পন্ন হলে এর ব্যয় পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।