টানা বর্ষণে হবিগঞ্জ শহরের ৭০ শতাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাড়িতেও পানি উঠেছে।
এদিকে, প্রবল বর্ষণে তলিয়ে গেছে মৌলভীবাজার শহরের অধিকাংশ এলাকা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। ফলে দুই শহরের বাসিন্দারাই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এ দুরাবস্থা থেকে রেহাই পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা ।
প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে একটু বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় হবিগঞ্জ শহর। এবছর কয়েক দিনের টানা বর্ষণে শহরের সার্কিট হাউজ, কালীবাড়ি ক্রস রোড, বগলবাজার, কর্মকারপট্টিসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া, সায়েস্তানগর, শ্যামলী, অনন্তপুর, নয়াহাটিসহ বেশ কিছু আবাসিক এলাকার বাড়ি ঘরেও পানি উঠেছে। এমনকি তলিয়ে গেছে খোদ জেলা প্রশাসকের বাসভবনও। এ অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শহরবাসী।
জলাবদ্ধতা দূরীকরণে কিছু প্রকল্পের কাজ দ্রুতই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পৌর সভার প্যানেল মেয়র পিয়ারা বেগম।
এছাড়াও, বর্ষণে ডুবে গেছে মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউজ, টিবি হাসপাতাল রোড, পশ্চিম গির্জাপাড়া, সৈয়ারপুর, ফাটাবিলসহ ৪টি ওয়ার্ডের নিম্নাঞ্চল। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন শহরের প্রায় ৩ হাজার মানুষ।
জলাবদ্ধতা রোধে জাইকা পরিচালিত প্রকল্প শহরের কোদালী ছড়া খাল পুনঃখনন করা হলেও কোনো ফল হয়নি। জলাবদ্ধতার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযোগ অস্বীকার করে জলাবদ্ধতার কারণে এলজিইডিকে দায়ী করেন পৌর সভার কাউন্সিলর কিশোর দাস।
তবে দায় অস্বীকার করে নির্বাহী প্রকৌশলী নুর নবী দেশটিভিকে বলেন, ওই প্রকল্পটি পানি নিষ্কাষণের জন্য পরিচালিত হয়নি।