তিন বিঘা করিডোর খুলে দেয়ার পর দিন রাত ২৪ ঘণ্টা মূল ভূখণ্ডে যাতায়াতের সুযোগের পরও পাওয়ার নানা সমস্যার মধ্যদিয়ে দিন কাটাচ্ছেন দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলবাসী। করিডোর ব্যবহার করতে গিয়ে সংকীর্ণ রাস্তার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন তারা। সেইসঙ্গে শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা দুর্ভোগ।
বিগত ১৯৯২ সালের ২৬ জুন তিন বিঘা কড়িডোর খুলে দেয়ার পর সারাদিনে মাত্র ৬ ঘণ্টার জন্য মূল ভূখণ্ডে চলা ফেরার সুযোগ পান দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলের মানুষ।
পরে ২০০১ সালে তা বেড়ে হয় ১২ ঘণ্টা। আর ২০১১ সালের অক্টোবর দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সফর করে কড়িডোর গেটটি দিয়ে ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার জন্য যুক্ত হলেও নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ছিটমহলবাসী। গেটটি দিয়ে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল না করায় ঝুঁকি নিয়ে নছিমনে করে যাতায়াত করছেন যাত্রীরা। আর কোনো হাসপাতাল না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই এলাকার মানুষ।
এদিকে, তিস্তা নদী ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে গ্রামটি। তাই অবিলম্বে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।
দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘দহগ্রামের সীমান্ত থেকে শুরু করে দক্ষিণ প্রান্তের সীমান্তের প্রায় ১১ কিলোমিটার বিস্তৃত নদী প্রায় ৭টি গ্রাম পর্যায়ক্রমে ভেঙে নদীর সঙ্গে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনতিবিলম্বে যদি এ নদী ভাঙন প্রতিরক্ষার বাঁধ নির্মাণ করা না হয় বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে এ অঞ্চল বিলীন হয়ে যাবে।’