মেহেদীর রঙ হাত থেকে উঠতে না উঠতেই যৌতুকের জন্য জীবন দিতে হলো টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে গ্রামের এক নববধূ আমেনা বেগমকে (১৮)।
মঙ্গলবার কালিহাতী উপজেলার পোষণা নদী থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসীকে উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে আমেনাকে শ্বশুর বাড়ির সবাই মিলে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। সকালে তার মৃতদেহ নদীতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় তারা।
কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন দেশ টিভিকে বলেন, দুপুরে পোষণা নদীতে আমেনার মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নববধূ আমেরার নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল এবং গলা থেঁতলানো ছিল বলেও জানান তিনি। এ ঘটনার পর থেকে আমেনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। সোমবার গভীর রাতের কোনো এক সময় আমেনাকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে নদীতে ফেলে দেয় বলে ধারনা করছে পুলিশ।
জানা গেছে, চার মাস আগে কালিহাতী উপজেলার পালিমা গ্রামের ফুলচান মিয়ার ছেলে মো. হারুন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য তাকে শারীরিক নির্যাতন করতো শ্বশুর বাড়ির লোকজন। আমেনা বেগম বাসাইল উপজেলার যশিহাটী গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে।