নাটোর সুগার মিলে চলতি অর্থবছরে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ চিনি অবিক্রিত রয়েছে—এতে আখ চাষীদের পাওনা পরিশোধ করতে পারছে না মিল কর্তৃপক্ষ। একদিকে যেমন চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি গুদামে মজুদ চিনি নষ্ট হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পাওনার জন্য প্রায় প্রতিদিনই কারখানায় ধর্না দিচ্ছেন আখ চাষীরা। ডিলাররা চিনি উত্তোলন না করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানায় মিল কর্তৃপক্ষ।
গত ২০১৩ -১৪ অর্থ বছরে নাটোর সুগার মিলের উৎপাদিত চিনির মধ্যে ১৬ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন এখনো অবিক্রিত রয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৬৭ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ চিনি অবিক্রিত থাকায় আখচাষীরা তাদের পাওনা টাকা পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ প্রতিদিন টাকার জন্য কারখানায় ধর্না দিলেও কবে তারা টাকা পাবেন তা নিশ্চিত করতে পারছে না মিল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, আখের মূল্য না পাওয়ায় অন্য ফসলও চাষ করতে পারছেন না তারা।
নাটোর সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম আরশাদ জানিয়েছেন, ডিলাররা উৎপাদিত চিনি উত্তোলন না করাতেই এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে চাষীদের পাওনা পরিশোধ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
নাটোর সুপার মিলের আওতায় ১৮ হাজার আখ চাষী রয়েছেন। আর মিল কর্তৃপক্ষের কাছে তারা পাবেন প্রায় আট কোটি টাকা।