পূর্ণিমায় জোয়ারে উত্তাল হয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ভোলায় মেঘনা নদীর পানি। এতে ঝুঁকির মুখে পড়েছে শহর রক্ষা বাধ। যে কোনো মুহূর্তে বাধ ধসে বির্স্তীন জনপদ তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন আতঙ্কিত উপকূলের বাসিন্দারা। অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন নিরাপদ স্থানে।
ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে ভোলা সদরের শহরে রক্ষা বাধের সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত হয়। এরপর চলতি বছর বাধ নির্মাণকাজ শুরু হলেও তা এখনো শেষ হয়নি।
এদিকে, মেঘনার পানি হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে পুরাতন বাধটি। অনেক জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাঁটল। বাধের এ জীর্ন দশায় আতঙ্কে নদীর উপকূলের ধনিয়া, কাচিয়া ও ইলিশা ইউনিয়নের মানুষ।
টেকসই বাধ নির্মাণ ও সিসি ব্লক স্থাপন না করায় প্রতিবছরই ভোলার বিভিন্ন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত ১৪ জুলাই সদরের নাছির মাঝি পয়েন্ট দিয়ে বাধ ভেঙে পুরো ইউনিয়ন তলিয়ে যায়। রাতভর চেষ্টা চালিয়ে বাধ মেরামত করা হলেও এখনো ভয় কাটেনি।
এদিকে, বাধ রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান ভোলার পানি উন্নয়ন বোর্ড, নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হেকিম।