নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন র্যাব-১১ এর দুই সদস্য আবদুস সামাদ ও আবদুস সালাম। মঙ্গলবার এ দুই র্যা ব সদস্য নারায়ণগঞ্জ জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনোয়ারা বেগমের আদালতে নেয়া হয়।
বিকেল ৩টায় তাদের জবানবন্দি শেষ হয়। পরে কঠোর গোপনীয়তায় তাদের আদালত থেকে বের করা হয়।
র্যাব সদস্য আবদুস সামাদ ও আবদুস সালাম সাত জনকে অপহরণ থেকে লাশ গুম পর্যন্ত সবকিছু প্রত্যক্ষ করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
গত ১৭ জুন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় চাকরিচ্যুত র্যাব কর্মকর্তা তারেক সাঈদ। এর আগে ৪ জুন আরিফ হোসেন ও ৫ জুন এম এম রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে খুনের দায় স্বীকার করেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ গত ১৬ মে রাতে র্যাবের চাকরিচ্যুত তারেক সাঈদ ও আরিফ হোসেন এবং ১৭ মে এম এম রানাকে গ্রেপ্তার করে।
এছাড়াও গত ১৪ জুন হত্যার প্রধান হোতা নুর হোসেনের সহযোগী মর্জুতা জামান চার্চিল ও খুনের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এর আগে, সাত খুনের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী পিতা-কন্যাসহ ৩ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের সামনে থেকে সিটি করপোশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়।