সিলেটের অতিরবাড়ী,ঠাকুরগাঁও ও ধামরাইয়ে বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৫ জন।
ভোরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় একটি বাস খাদে পড়ে দাদী-নাতনিসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি মো. মোরছালিন জানান, নূর আনন্দ পরিবহনের বাসটি ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে যাওয়ার পথে বুধবার ভোররাতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অতিরবাড়ি এলাকায় দুর্ঘটনায় পড়ে।
চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক শিশু, এক নারী ও দুই পুরুষ যাত্রী নিহত হন। আহত হন আরো ২০ জন।
নিহতরা হলেন- অনামিকা চক্রবর্তী (৭), তার দাদী প্রতিভা চক্রবর্তী (৫৫) এবং ওই বাসের যাত্রী সমুজ মিয়া (৬০) ও আব্দুল মুকিত (৫৫)। তাদের সবার বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়।
ওসি মোরছালিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে দক্ষিণ সুরমা থানায় রাখা হয়েছে।
এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ের ঢাকা মহাসড়কের গৌরিপুর নামক স্থানে আটোয়ারীগামী একটি পিকআপকে যাত্রীবাহী কোচ পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ২ জন মারা যান। তারা হলেন: হারুন (২০), হামিদুল (৩০)। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।
তাদের সবার বাড়ি পঞ্চগড়ের আটোয়ারী থানার মির্জাপুর গ্রামে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত ২৫ জনের মধ্যে ২২ জন ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই পিকআপের যাত্রী মুসাদুল জানান, চালক-হেল্পারসহ তারা ৩২ জন ঈদের দিন বিকেলে (মঙ্গলবার) পিকনিকের উদ্দেশে দিনাজপুরের স্বপ্নপুরী যান। রাস্তায় গাড়ির চাকার বিয়ারিং নষ্ট হওয়ায় তারা ফিরে আসেন। দিনাজপুরে চাকা ঠিক করে তারা বাড়ি ফেরার সময় বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পেছন থেকে একটি ঢাকা ফিরতি কোচ তাদের গাড়িটেকে ধাক্কা দেয়।
ঘটনা নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইনের (সশস্ত্র) বিভাগের এএসআই জামিল হোসেন।