কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া আসার পথে প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের মাঝে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর পরই উদ্ধার ১১০ জনের মধ্যে হাসপাতালে নেয়ার পথে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় পুলিশ। এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে, চাঁদপুরের হাইমচরের মাঝিরচরে মেঘনা নদী থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারনা করা হচ্ছে, লঞ্চডুবিতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।
ডুবে যাওয়া লঞ্চ পিনাক-৬ উদ্ধারে সর্বাত্বক চেষ্টা চালাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ ঘটনায় নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যের ও সমুদ্র অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ৪ সদস্যের আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে, নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে মুন্সীগঞ্জ দমকল বাহিনীর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসির উদ্ধার কর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মাওয়া নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লঞ্চটি কাওড়াকান্দি থেকে যাত্রী নিয়ে মাওয়ার দিকে আসছিল। লঞ্চটিতে কয়েক শত যাত্রী ছিল। তাদের বেশির ভাগই ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা ফিরছিলেন।
তিনি আরো বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই আশপাশে থাকা লঞ্চ ও সি বোটের মাধ্যমে ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়।