গাজীপুরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তুরাগ, বংশী ও বালুসহ বেশিরভাগ নদ-নদী ভরাট আর দখলের ফলে হারিয়ে নাব্যতা। যেসব অংশে সামান্য পানিপ্রবাহ রয়েছে তাও শিল্প-কারখানার বর্জ্যের কারণে দূষিত হচ্ছে, তেমনি দূষিত হচ্ছে পরিবেশও।
গাজীপুরে গড়ে উঠেছে ছোটবড় কমপক্ষে দেড় হাজার শিল্প কারখানা। এসব কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য প্রতিনিয়তই তুরাগ ও বালু নদীতে মিশে পানি দূষিত করছে।
এদিকে, দূষণের পাশাপাশি বেশিরভাগ জায়গা দখলের ফলে নদীও সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এর ফলে গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে নদী হারাচ্ছে নাব্যতা।
নদী দখল বন্ধ করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কথা জানিয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি অবৈধ স্থাপনা আবার গড়ে উঠে তাহলে আমরা আবার উচ্ছেদ অভিযান চালাবো। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
দূষণ রোধের পাশাপাশি নদ-নদীর সীমানা নির্ধারণে সরকারের পক্ষ থেকে একটি টাস্কফোর্স গঠন করার কথাও জানান গাজীপুর জেলা প্রশাসক।