শরীয়তপুরে পদ্মার তীরবর্তী ওয়াপদা ও সুরেশ্বর এলাকায় ২ জনের বুধবার মরদেহ ভেসে উঠেছে।
নদীতে মাছ ধরতে আসা জেলে ও স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে সেখান থেকে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা থেকে এক নারী ও নদীর অপর পাড় কাচিকাটা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ দুই মরদেহের পরিচয় জানা যায়নি।
মেয়েটির বয়স আনুমানিক ২৩/২৪ আর যুবকটির ২২/২৩ বছর বলে ধারনা করছে পুলিশ। মেয়েটির পরনে ছিলো জিন্স প্যান্ট ও কালো রংয়ের হাফহাতা টপস আর পুরুষটির পরনে ছিল সাদা রংয়ের শার্ট।
এদিকে, পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় মরদেহ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিরা বেগম।
ঈদের ছুটিতে পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে গ্রামের বাড়ি যান তারা। ঈদ শেষে জীবিত আর ফেরা হল না তাদের।
সোমবার কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া যাওয়ার পথে লঞ্চ পিনাক দুর্ঘটনায় পতিত হয়। সেখানে ছিলেন ২/৩ শতাধিক যাত্রী।
পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় মাদারীপুরের পাচচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্ট্রোল রুমে রেখেছে। এ তথ্য জানিয়েছেন নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ কবিরুল ইসলাম।
এদিকে, সকাল থেকে পদ্মা নদীর বিভিন্ন এলাকা দিয়ে একাধিক মরদেহ ভেসে যেতে দেখেছে নদীতে মাছ ধরতে আসা জেলে ও স্থানীয়রা।
সুরেশ্বরে মরদেহ ভেসে ওঠার সংবাদ পেয়ে বিভিন্ন নৌযানযোগে ঘটনাস্থলে নিখোঁজদের মরদেহ সন্ধানের চেষ্টা করছেন স্বজনরা।
গত তিন দিন ধরে স-উদ্যোগে নদীর এপার-ওপার স্বজনদের খোঁজ না পেয়ে হতাশ অনেকে। উদ্ধার অভিযান নিয়ে তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন।
নিখোঁজদের জীবিত ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন তারা। তবে জীবিত না হোক অন্তত মৃতদেহ পাওয়ার আশা তাদের।