পদ্মায় লঞ্চডুবির ঘটনায় শুক্রবার ভোলা, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর ও বরিশালে পদ্মা-মেঘনা থেকে মোট ৩৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনের পরিচয় জানা গেছে। এদিকে, ৫ম দিনও খোঁজ মেলেনি পদ্মায় ডুবে যাওয়া এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটির।
এমএল পিনাক-৬ লঞ্চটির খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে কাণ্ডারি-২ আর এর সঙ্গে যোগ দিয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ জরিপ- ১০।
এছাড়া, বিআইডব্লিউটিএ, নৌবাহিনী ও দমকল বাহিনীর উদ্ধারকারী জাহাজসহ ১৫টি নৌযান একসঙ্গে লঞ্চটির অনুসন্ধানে অভিযানে অব্যাহত রখেছে। বিভিন্ন কৌশলে দফায় দফায় অভিযান চালালেও এখনো পর্যন্ত হদিস পাননি লঞ্চটির।
এদিকে, সময় যতো গড়াচ্ছে ততোই হতাশ হয়ে পড়ছেন ডুবে যাওয়া লঞ্চের নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা। কান্না আর আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠছে পদ্মা পাড়ের পরিবেশ। জীবিত না হোক মরদেহটি ফিরে পেতে দিনরাত অপেক্ষা তাদের। ঘটনার চতুর্থ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও লঞ্চের খোঁজ না পাওয়ায় অনেকেই ক্ষুদ্ধ।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে কাওড়াকান্দি থেকে মাওয়া যাওয়ার পথে দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে পদ্মায় ডুবে যায় এম.এল. পিনাক-৬ নামের লঞ্চটি।