অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে বরিশাল, চাঁদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথগুলোতে চলাচল করছে বেশিরভাগ নৌযান। এসব নৌযানের বেশিরভাগেরই নিবন্ধন নেই, নেই ফিটনেসও।
সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জামেরও ব্যবস্থা নেই। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত নদী পথের যাত্রী হচ্ছে মানুষ।
অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বোঝাইয়ের কারণে সম্প্রতি নৌযানে ফাটল ও লঞ্চডুবির মতো ঘটনা বেড়েছে। বরিশাল নদী বন্দরে চলাচলকারী শতাধিক নৌযানের মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে মাত্র ৫১টি নৌযানের।
এরমধ্যে ৬৫ ফুটের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ এমএল টাইপের লঞ্চের সংখ্যা ১৫টি। এসব নৌযানে নেই জীবন রাক্ষাকারী সরঞ্জামও।
একই অবস্থা চাঁদপুর নৌরুটের লঞ্চগুলোতেও। পুলিশ, কোষ্টগার্ড, ম্যাজিস্ট্রেট, বিআইডব্লিউটিসির লোকজনের সামনেই নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত যাত্রী বলে অভিযোগ করেছে যাত্রীরা।
এদিকে, ভোলা-লক্ষীপুর নৌরুটের ডেঞ্জার জোনে যাত্রী পারাপারের একমাত্র সি-ট্রাকটি গত ৩ আগস্ট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে পড়ায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে নদী পার হচ্ছে মানুষ।