পদ্মায় ডুবে যাওয়া এমএল পিনাক-৬ লঞ্চের খোঁজে থাকা অনুসন্ধানী জাহাজ কাণ্ডারি-২ নদীর তলদেশে 'লোহা জাতীয় বস্তু'র সন্ধান পেয়েছে।
শনিবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাট থেকে ১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মার পাড় থেকে ৬০০/৭০০ মিটার গভীরে একটি 'মেটালিক্যাল র্যা ক' বা 'লোহা জাতীয় বস্তু' শনাক্তের কথা নিশ্চিত করেছেন পিনাক-৬ এর উদ্ধারকাজের সমন্বয়ক নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন নজরুল ইসলাম।
তবে নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে বস্তুটি বার বার আগের স্থান সরে যাচ্ছে বলে জানান নজরুল। তাই কাছে গিয়ে বস্তুটি ভালভাবে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
অনুসন্ধান কাজ অব্যাহত রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্ভে ভেসেল জরিপ-১০ ও কাণ্ডারি-২ ও ৭।
সকালে ভোলায় নদী থেকে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ভোলা, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর ও বরিশালে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে এ নিয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চের ৪২ জনের যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ২৬ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে।
লঞ্চটি যে স্থানে ডুবেছে সেখান থেকে ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সুনার স্ক্যান্যারারের সাহায্যে স্ক্যান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১০ কিলোমিটার স্ক্যান সম্পন্ন হয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে স্পিডবোর্ডসহ ছোট নৌযানগুলোকে উদ্ধার তৎপরতা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, রয়েছে নৌবাহিনীর রেসকিউ বোট, পেট্রোল ক্রাফট, ফায়ার সার্ভিসের রেসকিউ বোট এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বোট।
এর আগে শুক্রবার রাত পর্যন্ত ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে ২৩টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে ১৭টি মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। সরকারি হিসেবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরো ১২৬ জন যাত্রী।