প্রতিবছরই ঘটা করে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হয় তবে প্রতিবার এ দিবসটি পালিত হলেও এসব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেই কোনো সামাজিক মর্যাদা। সন্তানদের জন্য মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ নেই। এসব ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কল্যাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।
নাটোর শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শংকরভাগ গ্রামে ১৩০টি ঘরে প্রায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লক্ষাধিক মানুষের বাস। অনেক কষ্টে তাদের কেউ কেউ শিক্ষার সুযোগ পেলেও, অধিকাংশই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। এছাড়াও রয়েছে জমি-জমা সংক্রান্ত নানা সমস্যাও।
মৌলভীবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় ক্ষুদ্র জাতিসত্বার ছোটবড় ৭৮টি বসতবাড়ি বা পানপুঞ্চি রয়েছে। মৌলভীবাজারের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভূমি দখল, বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদসহ নানা বঞ্চনার শিকার তারা।
এছাড়া, সিলেটে ১৩টি, সুনামগঞ্জে ১টি ও হবিগঞ্জে ২টি রয়েছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। এসব পানপুঞ্চিতে খাসি ও গারো জাতিগোষ্ঠীর প্রায় দশ হাজার মানুষ বাস করছে। এদের বাইরে দেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা, মারমা, মনিপুরি, ত্রিপুরা উল্লেখযোগ্য।
সংবিধানে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে তিন পার্বত্য জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
এছাড়া, আলাদা ভূমি কমিশন গঠনের দাবিতে সোচ্চার সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীও দিবসটি পালন করছে।