মুন্সীগঞ্জে পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ এমএল পিনাক-৬ এর উদ্ধারকাজ রোববার সপ্তম দিনেও অব্যাহত রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাজ কাণ্ডারি-২ এর উদ্ধার কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে অনুসন্ধান কাজ অব্যাহত রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্ভে ভেসেল জরিপ-১০ ও কাণ্ডারি-৭।
বৈরি আবহওয়ার কারণে মাওয়া ও কাওড়াকান্দি নৌ-রুটের লঞ্চসহ সব ধরনের ছোট নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
সকাল থেকে অনুসন্ধানের কৌশল বদলিয়ে নতুনভাবে স্রোতের অনুকুলে খোঁজা শুরু করেছে উদ্ধারকারি দল।
ভোলা, চাঁদপুর, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর ও বরিশালে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে এ নিয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চের ৪৬ জনের যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর ২৮ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্থান্তর করা হয়েছে।
গতকাল ঘাটের এক কিলোমিটারের মধ্যে পদ্মার তলদেশে একটি অজ্ঞাত বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেলেও তা পিনাক-৬ কিনা এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, লঞ্চটি যে স্থানে ডুবেছে সেখান থেকে ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত সুনার স্ক্যান্যারারের সাহায্যে স্ক্যান অব্যাহত রয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে স্পীডবোর্ডসহ ছোট নৌযানগুলোকে উদ্ধার তৎপরতা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, রয়েছে নৌবাহিনীর রেসকিউ বোট, পেট্রোল ক্রাফট, ফায়ার সার্ভিসের রেসকিউ বোট এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বোট।
এর আগে শনিবার পর্যন্ত ৪২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি মরদেহ শনাক্ত করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।