বর্ষা শেষ হয়ে এলেও পানির অভাবে পাট জাগ দিতে পারছেন না যশোরের কৃষক। কেউ কেউ দূরের কোনো জলাশয়ে পাট জাগ দিলেও অনেকেই কাটা পাট স্তুপ করে রেখেছেন।
পানির অভাবে পাট পচাতে পারছেন না লালমনিরহাট ও নাটোরের কৃষকরা। পরিপক্ক পাট ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাট পচনের আধুনিক পদ্ধতি রিবন রেটিং সম্পর্কেও ধারণা নেই তাদের।
যশোরে এ বছর ২১ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় ৫/৬ হাজার টাকা বেশি খরচ করে পাট চাষ করেছেন চাষীরা।
এখন জাগ দেয়ার মতো পানি না পাওয়ায় পাট কেটে স্তুপ করে রেখেছেন। সময়মতো পাট পঁচাতে না পারায় আঁশের মান ও সেইসঙ্গে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কা তাদের।
এদিকে, পর্যাপ্ত পানির অভাবে পাট পচাতে পারছেন না নাটোরের কৃষকরাও। জেলার ১৪ হাজার ৩৬৬ হেক্টর জমিতে চাষ হলেও এখন জাগ দিতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাট।
বর্ষা যাই যাই করলেও, পর্যাপ্ত বৃষ্টির দেখা মিলছে না লালমনিরহাটেও। জেলাটিতে এ বছর ৪ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হলেও পচানোর মতো পানি থাকায় জমিতেই নষ্ট হচ্ছে পাট। নিরুপায় হয়ে পুকুর ডোবার অল্প পানিতেই পাট জাগ দিয়েছেন অনেকে।
এতে করে পানি দূষিত হয়ে একদিকে যেমন মাছ চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে তেমনি দেখা দিয়েছে খোঁসপাচড়াসহ নানা রোগব্যাধী। পাট পঁচানোর বিকল্প পদ্ধতি সম্পর্কেও জানে না কৃষকেরা।
এ ব্যাপারে কৃষকদের প্র্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়ার কথা জানালেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা।